ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

 
 
 
 

জ্বর হলেই ডেঙ্গু নয়

গ্লোবালটিভিবিডি ২:০৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০১৯

ফাইল ছবি

ডা. মোহাম্মদ ইখতিয়ার উদ্দিন: সম্প্রতি জ্বর হলেই দেখা যাচ্ছে হাসপাতালে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে, যার ফলে রোগীর চাপ বেড়ে গেছে হাসপাতালগুলোতে। সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসকরা। জ্বরের রোগীদের প্রথম তাদের নিকটবর্তী রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। চিকিৎসক প্রয়োজনবোধ করলে হাসপাতলে রেফার করবেন। তাহলেই সুচিকিৎসা পাওয়া সম্ভব।

কারণ ছাড়া জ্বর (Pyerexia of Unknown Origin)?

জ্বর শব্দটি রোগীর কাছে অতিপরিচিত সাধারণ সমস্যা মনে হলেও চিকিৎসকের কাছে অত্যন্ত দূরহ একটি বিষয়। এ যেন রোগীর তাপমাত্রার সাথে চিকিৎসকের মাথার ঘাম ঝরিয়ে ছাড়ে। অধিকাংশ শারীরিক সমস্যায় জ্বর হলো প্রাথমিক লক্ষণ। কিছু কিছু জ্বরে কারণ খুঁজে পাওয়া মশকিল হয়ে পড়ে। তখন রোগীর জন্য বিশেষ কিছু প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। অন্যথায় রোগীর জীবনের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

PUO (Pyerexia of Unknown Origin)-এর কারণ খুঁজতে সাধারণত যেসব পরীক্ষাগুলো করা সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

-Total count of Leucocytes(TLC)
-Differential Count of Leucocytes(DLC)
-Erythrocytes Sedimentation Rate(ESR)
-Hemoglobin(Hb%)
-Platelet Count
-Peripheral Blood Film study(PBF)
-Febrile antigen
-Malarial Parasite(MP)
-Routine & Microscopic Examination of Urine(Urine for R/M/E)
-Culture Sensitivity of Urine(Urine for C/S)
-ImmunoglobulinG/ImmunoglobulinM forDengue(Dengue IgG/IgM) & Dengue NS1 Ag.
-ICT/Bone marrow/Splenic tissue for LD body(Kala azar)
-Xray chest P/A view
-Mantoux Test(MT)
-Culture Sensitivity of Blood(Blood for C/S)

পরীক্ষাগুলো করানোর পূর্বে রোগীর পূর্ণ ইতিহাস নিতে হবে। রোগির ক্লিনিক্যাল লক্ষণের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসকের দায়িত্ব হলো কাছাকাছি সন্দেহজনক ধারণার উপর পরীক্ষা করানো যা চিকিৎসককে রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করবে।

ডা. মোহাম্মদ এখতিয়ার উদ্দিন

লেখক: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
BHMS(DU), MS(Microbiology),
MPH(Epidemiology), DMU(Bimdur),
PGD(Homeopathic Medicine).

এমএস


oranjee