ঢাকা, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ চকরিয়াবাসী: বিদ্যুৎ অফিসে হামলা

গ্লোবালটিভিবিডি ১২:৫৭ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৯

ছবি সংগৃহীত

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ পবিত্র রমাজন মাসে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এর মধ্যে রাতদিন ২৪ ঘন্টার ভিতরে ভালো মত ৮ ঘণ্টাও বিৎদ্যুতের দেখা পাওয়া যায় না। প্রতি ৫ থেকে ১০মিনিট পর পর বিদ্যুতের ভেলকি। শহর থেকে গ্রামে সবখানে একেই চিত্র। তবে এবার অসহ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত কক্সবাজারের চকরিয়া বিদ্যুৎ অফিসে হামলা চালিয়েছে সাধারণ মানুষ।

সোমবার রাত ২০ মে রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরশহরে অবস্থিত বিদ্যুত অফিসে এ হামলা চালান বিক্ষুব্ধ মুসল্লীরা।

সোমবার তারাবি নামাজ চলাকালীন ১০০ বারের উপরে বিৎদ্যুতের ভেলকিবাজি করা হয়েছে দাবি মসল্লিদের। তাই মুসল্লিদের সঙ্গে তামাশা করা হচ্ছে মনে করে মসজিদ থেকে দলবেধে শত শত মানুষ বিদ্যুৎ অফিসে ছুটে যান।।

তাদের অভিযোগ, সারাদিন রোজা রেখে ধর্মপ্রাণ মানুষ তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এতে বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুতের ভেল্কিবাজির কারণে মসজিদে ঠিকমতো নামাজ পড়তে পারছেন না ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা।

এ ছাড়াও বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবস্যা বাণিজ্যে ধস, ব্যাংক, বীমা বিভিন্ন কলকারখানা, ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, কম্পিউটার সাইবার ক্যাফেগুলো ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এতে সাধারণ জনগণও ক্ষতির শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে লোডশেডিংয়ের কারনে ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে সেচ মৌসুম শেষ হয়েছে। এরপরও ঘনঘন লোডশেডিং জনজীবনকে বির্পযস্ত করে তুলেছে।

চকরিয়া বিদ্যুত বিতরণ বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী মো.সাইদুজ্জামান বলেন, প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। তারমধ্যে অতিরিক্ত গরম। বরাদ্দের তুলনায় বাড়তি বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিদ্যুত বিভাগকে। তারপরও অফিসে হামলা করার মতো ঘটনাটি অত্যন্ত দু:খজনক।

তিনি বলেন, চকরিয়া বিদ্যুত বিভাগের আওতায় প্রায় ২২হাজার গ্রাহক রয়েছে। এসব গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু গ্রাহকরা বিদ্যুত বিভাগ থেকে বিদ্যুত পাচ্ছেন ৮ মেগাওয়াট, আরও ১ মেগাওয়াট বিদ্যুত ঘাটতি রয়েছে। ২৪ ঘন্টায় ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুত দিয়ে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে।

বর্তমানে চকরিয়া পৌরশহরের কোচপাড়া পাওয়ার ট্রান্সমিটার থেকে ২২হাজার গ্রাহককে ৫টি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুত বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৩টি লাইন চালু থাকলেও অন্য ২টি লাইন বন্ধ রাখতে হয়। গ্রাহকদের মাঝে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুতের চাহিদা পুরণ করতে মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে বরাদ্দও মিলেছে। তবে মালামাল আসতে দেরি হয়েছে, সেইকারণে দ্রুত সময়ে কাজ করা যাচ্ছে না।

এএইচ

 


oranjee