ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

ঈদের দিন পরিবারের খাবার খেয়েছেন খালেদা

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:২৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০১৯

ছবি সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিনে দ্বিতীয়বারের মতো ঈদ করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। 

একজন ডিভিশনপ্রাপ্ত (বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত) বন্দি হিসেবে ঈদের দিন হাসপাতালে খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।

কারাগার সূত্র জানিয়েছে, ঈদের দিন সকালে খালেদা জিয়ার বিএসএমএমইউর ৬২১ নম্বর কেবিনে যায় পায়েস, সেমাই আর মুড়ি। এসব তৈরি করেন কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষীরা। তবে অন্যান্যদের মতো নয়, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কম চিনি দিয়ে তৈরি করা হয় এ খাবার। 

 

দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে খালেদার কেবিনে পৌঁছে যায় দুপুরের খাবার।

সূত্র জানিয়েছে, ঈদের দিন দুপুরে খালেদার সঙ্গে দেখা করেন তার ভাইসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য। তারা খালেদা জিয়ার জন্য খাবার আনেন। 

কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সোমবার (১২ আগস্ট) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে গেছেন পরিবারের ৬ সদস্য। 

সাক্ষাৎ করতে যাওয়া পরিবারের ৬ সদস্য হলেন- বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবুধূ শর্মিলা রহমান, নাতনী জাফিরা রহমান, নাতনী জাহিরা রহমান, ভাই শামীম ইস্কানদার, ভাবী কানিজ ফাতেমা এবং ভাতিজা অভিক ইস্কানদার।

সোমবার দুপুর ২টা ১২ মিনিটে তারা বিএসএমএমইউ হাসপাতালে কেবিন ব্লকের ৬ তলায় বেগম খালেদার সঙ্গে দেখা করতে যান। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার জন্য বাসায় তৈরি খাবারও সঙ্গে নিয়ে যান।

সন্ধ্যার পরপর খালেদার জন্য থাকছে পোলাও (নরম)। সঙ্গে পরিমাণ মতো কোরবানির গরু অথবা খাসির মাংস, একটি ডিম, ডায়াবেটিক মিষ্টি, পান-সুপারি এবং কোমল পানীয়।

কারা সূত্র জানায়, এসব খাবার ছাড়াও একজন ডিভিশনপ্রাপ্ত কয়েদি হিসেবে খালেদা জিয়া অন্য কোনো খাবার খেতে চাইলে তা কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে পারেন। তবে তাকে সেই খাবার দিতে বাধ্য নয় কর্তৃপক্ষ।

কারা সূত্র জানিয়েছে, রোববার পর্যন্ত কারা কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ কোনো আইটেম তৈরির আবেদন করেননি খালেদা।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহাবুবুল ইসলাম মিলন বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে জেলকোড অনুযায়ী খাবার দেয়া হবে। ঈদের দিন তার পরিবারের সদস্যরা তার জন্য খাবার আনবেন। তিনি চাইলে সে খাবার খেতে পারবেন। তবে খাবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে খেতে দেয়া হবে।

এ এইচ

 


oranjee