ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯ | ৭ কার্তিক ১৪২৬

 
 
 
 

দেশের ১০টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০১৯

সংগৃহীত ছবি

দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে ১০টি নদ-নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বেশ কটি অঞ্চল বন্যা কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরণের সহযোগিতা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

গত কয়েক দিনে ভারী বৃষ্টির ফলে বন্যা কবলিত হয়েছে দেশের বেশ কটি অঞ্চল। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এসব এলাকার বহু মানুষ। এ অবস্থায় বন্যা মোকাবিলায় পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে শুক্রবার আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বন্যা পূর্বভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামি ৭২ ঘন্টায় প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে। পাশাপাশি পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। একই সঙ্গে, ৪৮ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি জামালপুরের বাহাদুরবাদ পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। এছাড়া, গত ২৪ ঘন্টায় সুরমা, সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, কংস, সাঙ্গু, মাতামুহুরী এবং তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

আগামী কয়েক দিন আরো ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিযেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে বেশ কটি অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কার পাশাপাশি বন্যাকবলিত অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাবে। সারাদেশে ৬২৮ টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায রয়েছে। রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ দশটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি খুবই খারাপ।

তবে মন্ত্রী জানান, বন্যাদুর্গতদের রক্ষায় সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে প্রতিবন্ধিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

এদিকে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৬৪ জেলায় ১৭ হাজার ৫৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এমএস


oranjee