ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ | ৪ আষাঢ় ১৪২৬

 
 
 
 

পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনে এবার ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৭ কোটি টাকা

গ্লোবালটিভিবিডি ২:৪৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০১৯

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য এবার ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৭ কোটি টাকা। এই বরাদ্দ থেকে ২২৫ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে নির্বাচনী পরিচালনা খাতে। আর বাকিটা ব্যয় হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায়। আগের চেয়ে সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় বরাদ্দও বেশি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের বাজেট শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ এনামুল হক।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারিতে তফসিল ঘোষণা করে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাঁচ ধাপে প্রায় ৫শ’ উপজেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ শুরু করা হবে। এ ক্ষেত্রে সদর উপজেলাগুলোর সকল কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। যেসব উপজেলার মেয়াদ পূর্ণ হবে আরো পরে, সেগুলোতে পরবর্তীতে ভোটগ্রহণ হবে।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণের জন্য ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল নির্বাচন কমিশন। এতে নির্বাচন পরিচালনা খাতে ১৫০ কোটি টাকা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পেছনে ১৮৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছিলো।

নির্বাচন কমিশন বাজেট শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের জন্য থোক বরাদ্দ ছিলো ৪০০ কোটি টাকা। পাঁচ ধাপের সেই নির্বাচনে মোট ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা খাতে ১৫০ কোটি ব্যয় করা হয়েছিলো। এখাতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভাতা ১০০ কোটি টাকা আর রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও ম্যাজিস্ট্রেটদের ভাতা বাবদ ৫০ কোটি টাকা দিতে হয়েছে।

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে আনসার বাহিনীকে ৮০ কোটি টাকা, পুলিশ-র‌্যাবকে ৬৩ কোটি টাকা, সশস্ত্র বাহিনীকে ২৪ কোটি এবং বিজিবিকে ১৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিলো।

সে সময় দেশের ৪৮৭ উপজেলার মধ্যে পাঁচ ধাপে মোট ৪৫৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়। বাকি উপজেলাগুলোতে মেয়াদ শেষে ভোট্রগহণ হয়। সব মিলিয়ে সাড়ে তিনশো কোটি টাকার মতো ব্যয় হয়েছিলো।

ইসির মুদ্রণ শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী উপকরণ দিয়েই উপজেলা নির্বাচনের অনেকটা অংশ পূরণ হবে। এজন্য এইখাতে কিছুটা সাশ্রয় হবে। নির্বাচনী উপকরণের মধ্যে একটা বিরাট ব্যয় হবে ব্যালট পেপার ও বিভিন্ন মুদ্রণের জন্য। এছাড়া সিল, রশি, ব্যাগ ইত্যাদিও নতুন করে কিনতে হবে।

এমএস


oranjee