ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

এক বছরে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন দুই কোটি মানুষ: জাতিসংঘ

গ্লোবালটিভিবিডি ৮:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৯

ছবি : ইন্টারনেট

যুদ্ধ, নির্যাতন আর সংঘাতের কারণে ২০১৮ সালে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন দুই কোটি মানুষ। বিশ্বে বাড়িছাড়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত কোটির বেশি, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা।

আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে জাতিসংঘে শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন তথ্য ৷ বাড়িছাড়া মানুষের হিসাবে শরণার্থী, রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী এবং দেশের অভ্যন্তের বাস্তুচ্যুতদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে৷

বুধবার জেনেভায় এক অনুষ্ঠানে ‘বৈশ্বিক প্রবণতা' শীর্ষক ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় ৷ অনুষ্ঠানে সংস্থার প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে বৈশ্বিক প্রবণতা ভুল দিকেই যাচ্ছে। নতুন করে যুদ্ধ আর সংঘাত বাড়ছে এবং তৈরি করছে নতুন নতুন শরণার্থী৷ যারা আগের শরণার্থীদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, অথচ পূর্ববর্তীদের সমস্যার কোনো কিনারা হয়নি৷’

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০১৮ সাল নাগাদ ৭ কোটি ৮ লাখ মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৮৫ লাখ। এক দশকে বাস্তুচ্যুত মানুষ বৃদ্ধির পরিমাণ ৬৫ শতাংশ। ২০০৯ সালে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৩৩ লাখ।

প্রতিবেদনের বলা হয়, মানুষের বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা ও সময় দুটোই বাড়ছে ৷ প্রতি পাঁচজনে চারজনের বাড়িছাড়া থাকার সময় দাঁড়িয়েছে পাঁচ বছরের বেশি।

ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশসহ কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশের প্রশংসা করা হয়৷ ‘উন্নয়নশীল অঞ্চল তুলনামূলকভাবে বেশি শরণার্থীর ভার বহন করছে। বাংলাদেশ, চাদ, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, সাউথ সুদান, সুদান, তানজানিয়া, উগান্ডা ও ইয়েমেনের মতো কম উন্নত দেশ মোট ৬০ লাখ ৭০ হাজার শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে৷ যা মোট সংখ্যার শতকরা ৩৩ ভাগ,’ বলা হয় ওই প্রতিবেদনে।


এমএস


oranjee