ঢাকা, সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৩ পৌষ ১৪২৫

 
 
 
 

বিষয় :

ঢাকা

  • শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরী Widal test কেন করা হয় জেনে নিন
  • হাঁটা সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম
  • ডায়াবেটিস কমাবে জিরার পানি
  • অ্যাপল ওয়াচ রুখে দিতে পারে ক্যানসার!
  • সর্দি-কাশিতে মেডিসিন না খেয়ে যেভাবে সারতে পারেন জেনে নিন
  • রসুনে নিয়ন্ত্রণ করুন উচ্চ রক্তচাপ
  • একই হেলমেট ব্যবহারে কি ক্ষতি হয় জানেন?

কাজের মনোযোগ নষ্ট করে স্মার্ট ফোন!

গ্লোবালটিভিবিডি ১২:০৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮

মানুষের একইসঙ্গে একাধিক কাজ করা বা মাল্টি-টাস্কিংয়ের ক্ষমতা থাকলেও তাতে কোনো কাজই ঠিকঠাক হয়ে ওঠে না। এ বিষয়টি নিয়ে কম গবেষণা হয়নি। আর সব গবেষণার ফলই নেতিবাচক এসেছে। বর্তমান সময়ের গবেষণাগুলো বলছে, স্মার্টফোনের ওপর বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতাই এই সমস্যার মূল কারণ।

আমরা এই স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ফেসবুক, ইমো, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপসহ আরও বিভিন্ন স্যোশাল সাইট ব্যবহার করি। এক গবেষণা বলছে, কাজের ফাঁকে ফেসবুকে ৩০ সেকেন্ড চোখ বুলিয়ে নেওয়া মানে শুধু ৩০ সেকেন্ড নয়, প্রায় ২৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের জন্য কাজের বাইরে চলে যাওয়া। এই সমস্যাকে বলা হচ্ছে ‘ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশন’।
বিভিন্ন গবেষণার ফল বলছে-

১। কাজে বাধা পড়লে গড়ে ২৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ড লাগে পুনরায় মনোযোগ ফিরে পেতে।
২। উচ্চ মানসিক চাপ, খারাপ মেজাজ এবং কম উৎপাদনশীলতার কারণ এই মনোযোগে বাধা
৩। যুক্তরাষ্ট্রে মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনার ১০ দশমিক ৫ শতাংশ হয় ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশনের জন্য।
৪। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে কাটানো সময়ের এক-পঞ্চমাংশ তাদের ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারে ব্যয় করে যা তাদের শ্রেণিকক্ষের কাজের সঙ্গে জড়িত না।
৫। ইন্টারনেটের যুগে জন্মগ্রহণকারীদের ডিজিটাল নেটিভ বলা হয়। এরা প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৭ বার কাজ পরিবর্তন করে!
৬। যদি কোনো শিক্ষার্থী প্রতি ১৫ মিনিটে একবার ফেসবুকে ঢুঁ মারে তবে তার পরীক্ষার ফল খারাপ হয়।
৭। কাজের সময় ই-মেইল বা টিভি দেখলে মস্তিষ্কের ভুল অংশে তথ্য জমা হয়। প্রয়োজনের সময় সে তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।
৮। আসক্তি থেকে অনেক সময় ‘ফ্যানটম ভাইব্রেশন সিনড্রোম’ নামের মানসিক রোগ দেখা দেয়। এতে মোবাইল ফোনে কল না এলেও মনে হতে থাকে যেন রিং বা ভাইব্রেশন হচ্ছে।

এসব উপসর্গের কারণে মানুষের দৈনন্দিন মূল ‘কাজে’ ব্যাঘাত তৈরি হয় বলে গবেষণার ফলে জানানো হচ্ছে।

এএইচ/এমএস


oranjee