ঢাকা, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

বঙ্গবন্ধু মরে নাই

অনুরূপ আইচ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৯

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব পরিবারে হত্যা করেছিল দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন করতে চাওয়া ভিনদেশীদের এজেন্টরা। তারা ভেবেছিল, শুধু জাতির পিতা বা তার পরিবারকে হত্যা করলেই বুঝি বাংলাদেশ পাকিস্তানপন্থী হয়ে যাবে। হায় রে বেঈমান....

এই বেঈমানেরা ভেবেছিল, অস্ত্রের জোরে দেশ দখল করলেই বুঝি দেশের কোটি কোটি মানুষের মন থেকে জাতির পিতাকে মুছে দিতে পারবে। ভালোবাসা কি এতই সহজ!

যে ভালোবাসা আল্লাহ প্রদত্ত তা কি এতই ঠুনকো! প্রেম তো স্রষ্টা প্রদত্ত। নেতৃত্বও আল্লাহ প্রদত্ত। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে টানা একুশ বছর অনেকেই নেতা সেজেছিলেন, অনেকেই রাষ্ট্র ক্ষমতা দখন করে নিজেদেরকে জাতির পিতার সমকক্ষ ভেবেছিলেন। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন, দেশ থেকে জাতির পিতার নাম মুছে দিতে। আওয়ামী লীগের নাম মুছে দিতে। এমন কি ওরা এমন চেষ্টাও করেছিল, আওয়ামী লীগ বা শেখ মুজিবের নাম নিলেই যেকোনো মানুষকে ধ্বংস করে দিতে।

কিন্তু কথায় আছে নাহ, রাখে আল্লাহ মারে কে! জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা মৃত্যুর পরোয়া না করে দেশে ফিরেছেন শুধুমাত্র আল্লাহ ও তার বান্দাদের ভালোবাসার উপর নির্ভর করে। এরপর থেকেই শেখ হাসিনা একুশবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন, আল্লাহর রহমতে।

শয়তানের বিজয় ক্ষণিকের। আর সত্যের বিজয় সর্বোচ্চ। এই বিজয়ের সোপানে এখন শেখ হাসিনা ও জাতির পিতার দল আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে যে যা-ই বলুক না কেন, আসল ব্যাপার হলো- কারো হক মেরে খেয়ে কেউ জীবনে বড় কিছু হতে পারে না।

আজ জাতীয় শোক দিবসে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি, আমাদের জাতির পিতা ও বিশ্বের অন্যতম সেরা অমর নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সাথে শহীদ হওয়া সকলকে। আল্লাহ তাদেরকে বেহেস্তে নসিব করুক, দোয়া করি।

জাতিরজনক শহীদ হওয়ার এত এত বছর পরেও দেশের মানুষের মন থেকে মুছতে পারেনি কেউ বঙ্গবন্ধুকে। এখন এই প্রবাদই সত্য প্রমাণিত, যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা বহমান / ততদিন রবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আসলেই আমাদের জাতির পিতা মরেননি, তিনি বেঁচে রয়েছেন এই বাংলাদেশের সবুজে। তিনি চির অম্লান।অবিনশ্বর তিনি।

 

লেখকঃ নির্বাহী সম্পাদক, গ্লোবাল টিভি।


oranjee