ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

যেখানে মোবাইল কোর্ট, সেখানেই কমদামে পেঁয়াজ!

গ্লোবালটিভিবিডি ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৯

ছবি সংগৃহীত

জসীম উদ্দীন, কক্সবাজার: সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। কক্সবাজারে কেজি প্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০টাকায়।

এ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ফের অভিযান চলছে কক্সবাজারের বাজার গুলোতে। এ অভিযানকে কেন্দ্র করে বেশ বিপাকে পড়েছে অসাধু পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা। অভিযান চলাকালীন পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়ায় পেঁয়াজ কিনতে সাধারণ ক্রেতারা ভিড় করছে পেঁয়াজের দোকানগুলোতে।

যেখানে মোবাইল কোর্ট উপস্থিত হচ্ছেন, সেখানে ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ কেনার হিড়িক পড়েছে। অনেককেই লাইন ধরে পেঁয়াজ কিনতে দেখা গেছে। কারণ, অভিযান চলাকালীন ৫০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমাণা ও ৫০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রির ভয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় অনেক দোকানি। বুধবার ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বাজারে এমন ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষকারীদের কয়েকজন জানান,বুধবার সন্ধ্যা নাগাত কক্সবাজার সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার মোক্তারের নেতৃত্বে বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজারে পেঁয়াজের আড়ত ও দোকানগুলোতে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৫০টাকা বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে শত শত সাধারণ ক্রেতা ৫০ টাকা দামে পেঁয়াজ কিনতে ভিড় করে দোকানগুলোতে।

অভিযান চলাকালীন দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ায় রাসেল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি দোকান সীলগালা করে দেয়া হয়।

এ ছাড়াও পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে রাখায় বার আউলিয়া বাণিজ্যালয় ও নুরুল হক ট্রেডিং নামের দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার করে একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযোগে আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ভিন্ন ভিন্ন জরিমানা করে সতর্ক করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহারিয়ার মোক্তার জানান, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে। তিনি সাধারণ ক্রেতাদের বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান এবং বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে খবর দেয়ার অনুরোধ জানান।

একই ভাবে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাজারগুলোতেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ না আসা পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াছ ৫০ টাকা ও ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৭০ টাকা করে মূল্য নির্ধারণ করা হলেও এটি মানা হচ্ছে না।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অনেকের দাবি, যে দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, তার থেকে বেশি দামে তারা নিজেরাই পেঁয়াজ ক্রয় করছেন।

এএইচ


oranjee