ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ১ কার্তিক ১৪২৬

 
 
 
 

বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চারটি পণ্যের দাম

গ্লোবালটিভিবিডি ১২:১৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

শীত মৌসুমজুড়ে বাজারে যে স্বস্তিকর অবস্থা ছিল, তা আর থাকছে না। ঢাকার বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় চারটি পণ্যের দাম বেড়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩ টাকা বাড়িয়েছে বিপণনকারী কোম্পানি। খুচরা বাজারে ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৫ টাকা, কক মুরগি প্রতিটিতে ২০ টাকা ও গরুর মাংস কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়েছে।

সবজির দরও কিছুটা বাড়তি। মাছের ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে কিছুটা বেশি দাম চাইছেন বিক্রেতারা। এর আগে চালের দাম বেড়েছিল, যা খুচরা বাজারে আর কমেনি। কিছুদিন আগে ডালের দামও কিছুটা বেড়ে যায়। অবশ্য পেঁয়াজ, রসুন, আদা, বিভিন্ন ধরনের ডাল, আটা ইত্যাদি পণ্যের দাম সহনীয় আছে।

রূপচাঁদা ব্র্যান্ডের ভোজ্যতেল বিপণনকারী বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড এবং তীর ব্র্যান্ডের তেল বিপণনকারী সিটি গ্রুপ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর কথা জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। এ দুটি কোম্পানির পরিবেশক সূত্রে জানা যায়, লিটারে দাম বেড়েছে মূলত ৩ টাকা। কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ৫ লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেলের দাম হবে ৫০০–৫১৫ টাকা।

এই সময়ে বনভোজন, বিয়েসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে মাংসের চাহিদা থাকে। ঢাকার দক্ষিণ মণিপুরে কাদের গোস্তবিতানে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৫২০ টাকা চাওয়া হয়। যা দুই সপ্তাহ আগেও ৫০০ টাকা চাইতেন বিক্রেতা। একই দোকানে ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দর ১৫০ টাকা চান বিক্রেতা। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক মাসে ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দর ১৮ শতাংশ বেড়েছে।

কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা মহিবুল ইসলাম বলেন, এক দিন আগে মাঝারি আকারের একটি রোস্ট তৈরির কক মুরগি ২০০ টাকায় বিক্রি করেছেন। গতকাল তা কেনাই পড়েছে ২০০ টাকা, বিক্রি করেছেন ২২০–২৩০ টাকা দরে। তিনি বলেন, আকারভেদে কক মুরগির দর প্রতিটিতে ২০–৩০ টাকা বাড়তি।

ডিমের দামও বাড়তি চাহিদার কারণে বেড়েছে। ফার্মের মুরগির লাল ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫–১১০ টাকা দরে, যা আগের চেয়ে ১০ টাকা বেশি। কারওয়ান বাজারের ডিমের পাইকারি দোকানেই প্রতি ১০০ ডিম ৮৫০ টাকা চান বিক্রেতা। এতে হালি পড়ে ৩৪ টাকা। অন্যদিকে হাঁসের ডিম প্রতি হালি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে খুচরা দোকানে, যা সাধারণত ৪০–৪৫ টাকার মধ্যে থাকে।

আগারগাঁও বাজারে কেনাকাটা করছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা শামসুর রহমান। তিনি বলেন, জানুয়ারি মাসে বাসাভাড়া বাড়ল। ডিশের লাইনের বিল, ময়লা নেওয়ার বিল এবং খণ্ডকালীন গৃহকর্মীর বেতনও বেড়েছে। এখন বাজারেও খরচ বাড়ল।

আরকে


oranjee