ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯ | ৭ ভাদ্র ১৪২৬

 
 
 
 

কোরবানিকে সামনে রেখে বেড়েছে সব ধরনের মশলার দাম

গ্লোবালটিভিবিডি ৫:৪৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৩, ২০১৯

ফাইল ছবি

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে সব ধরনের মশলার দাম বেড়েছে। পর্যাপ্ত যোগান থাকলেও দাম বাড়ানো হয়েছে এলাচ, জিরা, দারচিনি, লবঙ্গ ও গোল মরিচের। রোজার ঈদের পর থেকেই পর্যায়ক্রমে বেড়েছে এসব পণ্যের দাম।

ঈদের বাকি আছে দুই সপ্তাহের কম সময়। গত এক মাস ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মশলা জাতীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে একটি অসৎ মহল হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে এলাচ প্রতি কেজি ২৪০০ থেকে ২৮০০ টাকা, জিরা ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা, দারচিনি ৪২০ টাকা, লবঙ্গ ৮৬০ টাকা , গোলমরিচ ৫২০ টাকা, জয়ত্রী ২৫০০ টাকা, কাঠবাদাম ৮৫০ টাকা, পেস্তাবাদাম ২২০০ টাকা ও কাবাবচিনি ৩৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের মধ্যে এলাচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, দারচিনি ৮০ টাকা, জয়ত্রী ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, কাঠবাদাম ১০০ টাকা, পেস্তাবাদাম ৮০০ টাকা ও কাবাবচিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০০০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের দোকানিরা বলেন, এক মাস আগে থেকেই মশলা জাতীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। এলাচের দাম বাড়ছে ২০ দিন আগে। আগের চেয়ে এখন কেজিতে এলাচের দাম ২০০ টাকা বেশি। বেড়েছে দারচিনির দামও। ক্রেতাকে এখন দারচিনির জন্য কেজিতে বাড়তি ৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে৷

ক্রেতাদের অভিযোগ, যখন যে পণ্যের চাহিদা বেশি সেই পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। মশলার দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতি ঈদে আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে দাম বেড়েছে পেঁয়াজ রসুন ও আদার। কারওয়ান বাজারের পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৩৬ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া রসুন ১৬৫ থেকে ১৭০ ও আদা ১৩২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এএইচ/এমএস


oranjee