ঢাকা, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

 
 
 
 

সিঙ্গারা-সমুচা বিক্রি করেই কোটিপতি মুকেশ কুমার

গ্লোবালটিভিবিডি ৭:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০১৯

ছবি : ইন্টারনেট

ভারতের মুকেশ কুমার ১২ বছর ধরে ছোট দোকানে সকাল-সন্ধ্যা কচুরি, সিঙ্গারা, সমুচা ভাজেন আর বিক্রি করেন। খুব বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সমস্যা ছাড়া মুকেশ কোনো দিনই বন্ধ রাখেননি তার দোকান। সেই মুকেশ কুমারের দোকানে হানা দিয়েছে ভারতের রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা। কারণ, কর-কর্মকর্তারা জানতেন না শুধু কচুরি আর সমুচা ভেজেই বছরের পর বছর ধরে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা করে ঘরে তুলছেন মুকেশ। কচুরি বেচেই যে কোটিপতি হয়ে গেছেন মুকেশ, তা বুঝতেই পারেনি এলাকাবাসীও।

ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভির খবরে জানানো হয়, উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে বাড়ি মুকেশের। সেখানেই সীমা টকিজ সিনেমাহলের পাশে সরু গলিতে মুকেশের কচুরির দোকান। সস্তায় ভাল কচুরির জন্য মুকেশের দোকানের সুনাম আছে এলাকায়।

আয়কর দপ্তরের বিশেষ অনুসন্ধান শাখার কর্মকর্তারা আলিগড়ের ব্যবসায়ীদের আয়কর এবং পণ্য ও সেবা করের (জিএসটি) ব্যাপারে খোঁজখবর চালাচ্ছিলেন। তখনই তারা জানতে পারেন মুকেশের পুরির দোকানের কথা। জানতে পারেন, কোনো আয়কর দেন না মুকেশ। এমনকি নেই জিএসটি রেজিস্ট্রেশনও। এরপর বেশ কয়েক দিন ধরে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কচুরি বিক্রি করেই বছরে ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি রুপি আয় করেন মুকেশ।

এরপরেই তড়িঘড়ি নোটিশ পাঠানো হয় মুকেশ কুমারকে। তবে, আয়কর কর্তাদের কাছে নিজের হয়ে সাফাই দিয়েছেন মুকেশ। তিনি জানিয়েছেন, ‘কচুরি-সিঙ্গারা বেচে চলে আমার। এসব নিয়মের কথা কেউ কখনও বলেনি আমায়। সহজ-সরল মানুষ আমি। অত জটিল ব্যাপার বুঝি না’।

একজন আয়কর কর্মকর্তা জানান, ‘মুকেশ তার আয়ের ব্যাপারে সকল তথ্য দিয়েছেন। জিএসটি নিবন্ধন করেছেন ও সরকারকে এক বছরের আয়কর দিয়েছেন’।

বছরে কোনো ব্যবসায়ী বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর আয় ৪০ লাখ রুপির বেশি হলে সরকারকে জিএসটি দিতে হয়। আর খাদ্যপণ্যের ব্যবসায়ীদের ৫ শতাংশ হারে কর দিতে হয় ভারতে।

এমএস


oranjee