ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • জন্মের ৮১ বছর পর মায়ের দেখা পেলেন এইলিন
  • ছুটির দিন রোগী দেখেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং
  • লাইভে জ্যান্ত অক্টোপাস খেতে গিয়ে আক্রমণের শিকার তরুণী
  • দুই তরুণী ৬৪ জেলা ভ্রমণ করলেন মোটর সাইকেলে
  • সমকামী সন্তানের জন্য নিজের গর্ভে নাতনির জন্ম দিলেন মার্কিন নারী
  • হঠাৎ গণভবনে সোহেল তাজ
  • বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী রাজনৈতিক বন্দি কে?

ছোট্ট বিমানে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড ভারতীয় নারীর

গ্লোবালটিভিবিডি ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৯

ছবি সংগৃহীত

ছোট্ট বিমানে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ২৩ বছর বয়সী ভারতীয় নারী আরোহী পণ্ডিত। লাইট স্পোর্ট এয়ারক্রাফটে (এলএসএ) চড়ে তিনি আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের উইক থেকে যাত্রা শুরু করে ১৩ মে তিনি কানাডার ইকালুয়েট বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ছোট বিমানে তিনি বরফে ঢাকা গ্রিনল্যান্ড পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। যাত্রাপথে তিনি আইসল্যান্ড ও গ্রিনল্যান্ডে থেমেছিলেন।

তিনি পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ৩৭ হাজার কিলোমিটার পথ। ১২০ ঘণ্টা আকাশে উড়েও রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন আরোহী। তিনিই প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি একা হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আটলান্টিক মহাসাগর অতিক্রম করে এসেছেন।

‘উইমেন এমপাওয়ার এক্সপিডিশন’ -এর সদস্যা হিসেবে আগেও একবার আকাশপথে কয়েক হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে নজির গড়েছিলেন তিনি। সে বার খারাপ আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আটলান্টিক পাড়ি দেয়া হয়নি। এ বার সেই স্বপ্ন পূরণ করলেন আরোহী।

মুম্বইয়ের বাসিন্দা আরোহি পন্ডিতের ছোটবেলা থেকে বিমান চালানোর শখ। প্রশিক্ষণ নেয়ার পর ‘উইমেন এমপাওয়ার এক্সপিডিশন’-এ যোগ দেন তিনি।

আরোহী পণ্ডিতের লাইট স্পোর্টস এয়ারক্রাফ্টের নাম ছিল মাহি। সাইনাস ৯১২ মডেলের সিঙ্গেল ইঞ্জিনের বিমানটির ওজন প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম। ভারতের সিভিল এভিয়েশনের ডিরেক্টর জেনারেল এটিকে লাইসেন্স দিয়েছে। মহাসাগর পাড়ি দেয়ার জন্য বিমানের ককপিটে একটি র‌্যাফ্ট, অক্সিজেন এবং অন্যান্য নিরাপত্তা গিয়ার ছিল। এছাড়া জরুরি অবতরণের জন্য প্যারাসুটও ছিল।

বিশ্বরেকর্ড গড়ার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেয়া এক বক্তব্যে আরোহী পণ্ডিত বলেন, ছোট বিমানে চড়ে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়া এক দারুন অভিজ্ঞতা। দেশের জন্য, বিশেষত মহিলাদের প্রতিনিধি হয়ে এই কাজটা করতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। আটলান্টিক মহাসাগর পার হওয়া শুধু অ্যাডভেঞ্চার নয়, রোমহর্ষক অভিজ্ঞতা। দিগন্ত বিস্তৃত শূন্যতা, শুধুমাত্র আমি আর আমার ছোট্ট এয়ারক্রাফ্ট। সমুদ্র ও তার মাঝে উঁকি দেওয়া নানা আকারের দ্বীপ, এই সৌন্দর্য চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।’

অভিযান শুরুর আগে সাত মাস প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন আরোহি পণ্ডিত। বিভিন্ন প্রতিকূল আবহাওয়া, উচ্চতার সমস্যা, ভাইরাস আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি করেছিলেন।

এএইচ


oranjee