ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

তারেকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা : ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে গোয়েন্দা প্রতিবেদন ফাঁস

তদন্ত কমিটি গঠন

গ্লোবালটিভিবিডি ২:৪০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০২, ২০১৯

সংগৃহীত ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের এক ট্রাস্টির নানা অপকর্ম এবং তার সঙ্গে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সেই গোয়েন্দা প্রতিবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমাও দেয়া হয়। কিন্তু প্রতিবেদনটির কপি চলে যায় অভিযুক্ত ট্রাস্টি (কিশোরগঞ্জ) রিপন রায় লিপুর কাছে। শুধু তা-ই নয় প্রতিবেদনটি যুক্ত করে রিপন রায় ওই গোয়েন্দা সংস্থাটির মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন। মন্ত্রণালয় থেকে গোপন এ প্রতিবেদন ফাঁসের ঘটনায় তোলপাড় চলছে।

এ অবস্থায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঘটনাটি উল্লেখ করে গোয়েন্দা সংস্থাটির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। সেখানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে গোয়েন্দা প্রতিবেদন সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়।

গোয়েন্দা প্রতিবেদন ফাঁস হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এর সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (সংস্থা) মু. আ. হামিদ জমাদ্দার বলেছেন, ‘উপসচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তিনি কাজ করছেন। বিষয়টি (প্রতিবেদন ফাঁস) দুঃখজনক। আমরা রিপন রায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তিনি রিপোর্টটি কোথা থেকে পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি তার বাসায় কেউ ফেলে রেখে গেছে। বিষয়টি হাস্যকর।’

‘সরকারি গোপনীয় তথ্য ফাঁস, নিরাপত্তা হুমকি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি প্রসঙ্গে’ শিরোনামে এক গোপনীয় প্রতিবেদনে গোয়েন্দা সংস্থাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জানায়, “বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাটি থেকে পাঠানো ‘গোপন গোয়েন্দা প্রতিবেদন’ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মাধ্যমে ফাঁস হচ্ছে।

এমএইচএন/এমএস


oranjee

আরও খবর :