ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

মোহাম্মদপুরে কিশোর হত্যা: গ্রেফতার ২

গ্লোবালটিভিবিডি ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানে কিশোর মহসিন (১৪) হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাং গ্রুপের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কেরাণিগঞ্জের বছিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরের ভাই মামলা দায়ের করলে তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জি জি বিশ্বাস গ্লোবালটিভিকে বলেন, মহসিন হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই বৃহস্পতিবার সকালে ১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এরই মধ্যে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ১১ আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

ওসি জানান, গ্রেফতার দুই কিশোর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, মহসিন হত্যায় জড়িতরা সবাই কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য। আধিপত্য বিস্তার ও একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা মহসিনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। নিহত মহসিন মোহাম্মদপুর চাইল্ড হেভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

ওসি জানান, তার ওপর হামলাকারীরা চান মিয়া হাউজিং ও ঢাকা উদ্যান এলাকার কিশোর মহসিনের ভাইয়ের দায়ের করা মামলার সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে মোহাম্মদপুরের চান মিয়া হাউজিং এলাকার ২ নম্বর সড়কে মহসিন, রুবেলসহ কয়েকজন কিশোর বসে মোবাইল ফোনে ছবি দেখছিল। একপর্যায়ে তাদের সমবয়সী একদল কিশোর ঘটনাস্থলে এসে চাপাতি দিয়ে এলোপাতারি কোপায়। এতে মহসিন, রুবেলসহ তিন জন আহত হয়। তাদের মধ্যে মহসিন ও রুবেলকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মহসিনকে মৃত ঘোষণা করেন। রুবেল এখনো ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আনিসুর রহমান বলেন, বুধবার বিকেলে মহসিন ও তার বন্ধু রুবেল তাদের এক মেয়েবন্ধুকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় কাটাসুরের কয়েকটি কিশোর এসে আপত্তিকর মন্তব্য করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ওই সময় কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরেই মূলত মহসিনের ওপর হামলা করে প্রতিপক্ষ কিশোররা।

ডিসি আনিসুর আরও বলেন, কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। গত কয়েকদিন ধরে আমরা বেশকিছু গ্যাং গ্রুপের সদস্যদের ধরে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছি।

এমএইচএন/এমএস


oranjee