ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

ডিবি অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ড্রয়ার ভেঙ্গে ইয়াবা চুরি

গ্রেফতারের পর কারাগারে পুলিশ কনস্টেবল

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:৪১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৯

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক সহকারী কমিশনারের (এসি) ড্রয়ারের তালা ভেঙে পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সোহেল রানার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা হয়েছে। আর ওই মামলায় গ্রেফতারের পর সোহেল রানাকে পাঠানো হয়েছে কারাগারে।

এর আগে গত বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয় । তবে সব কিছুই হয়েছে বেশ গোপনে। মামলার বাদী ও গোয়েন্দা ডিবির অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও পেশাদার খুনি দমন টিমে (পশ্চিম বিভাগ) কর্মরত পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন খলিফা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, গত শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে আসেন কনস্টেবল সোহেল রানা। সেখানে সহকারী কমিশনারের কক্ষের ঢুকে ড্রয়ারে আলামত হিসেবে রাখা পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট হাতিয়ে নেন। পরে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে রিকশাযোগে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণির দিকে চলে যান। পরদিন শনিবার সকালে ডিবির এএসআই আবু সুফিয়ান ডিউটি শুরুর আগে ডিবির জ্যাকেট নেয়ার জন্য অফিসে গিয়ে দরজার সামনের বারান্দার সিলিং ও ভেতরে দক্ষিণ কোণের সিলিং খোলা দেখতে পান। ঘটনাটি তিনি সহকারী কমিশনার মজিবর রহমানকে জানান। পরে কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, মজিবর রহমানের কক্ষের থাই অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি দরজা ও তিনটি ড্রয়ারের তালা ভাঙা।

ঘটনার তদন্তের প্রথমেই ডিবি অফিসের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণে এই চুরির ঘটনায় কনস্টেবল সোহেল রানাকে শনাক্ত করা হয়। কনস্টেবল সোহেল রানা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দায় স্বীকার করেন। পরে চুরি করা ইয়াবাগুলো তাঁর বাসায় খাটের জাজিমের নিচে থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি স্ক্রু ড্রাইভারও সোহেলের বাসায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন খলিফা ইয়াবা চুরির অভিযোগে রমনা থানায় একটি মামলা করেন।

জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই গেন্ডারিয়া থানায় ওই মাদক মামলা হয়। চারজন আসামির কাছ থেকে ওই পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। আদালতে আলামত ধ্বংসের আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে ইয়াবাগুলো আদালতে পাঠানো হবে।

জানা গেছে, পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা ডিবি অফিসে কয়েক বছর ধরে কর্মরত আছেন। আর পুলিশে কর্মরত আছেন প্রায় ১৮ বছর। কনস্টেবল সোহেল রানার বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার কাকনা গ্রামে। তার বাবার নাম জিন্নাত আলী।

এমএইচএন/এমএস


oranjee