ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

শিশু সায়মার ধর্ষক ও হত্যাকারী গ্রেফতার

গ্লোবালটিভিবিডি ২:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৭, ২০১৯

শিশু সায়মার অভিযুক্ত ধর্ষক সোনারগাঁ থেকে গ্রেফতার গ্রেফতার। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ওয়ারী বনগ্রামে শিশু সামিয়া আফরিন সায়মা (৭)কে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার মূল অভিযুক্ত হারুন-উর-রশিদকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

রোববার (৭ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে হারুনকে গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন ডিএমপি (মিডিয়া) উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

গ্রেফতারের পর সায়মাকে ধর্ষণের কথা হারুন স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়।

পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি ইফতেখার আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার হারুনের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়। ঘটনার পর সে পলাতক ছিল। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে সোনারগাঁ থেকে ধরে আনে।

এদিকে শিশু সায়মার বাবা আব্দুস সালাম জানান, ঘাতক ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের খালাতো ভাই। সে ভবনের ৮তলায় পারভেজের বাসায় থাকতো এবং ঠাটারিবাজারে একটা রঙের দোকানে কাজ করতো।

গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে সায়মার খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নবনির্মিত ভবনটির নবম তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটের ভেতরে সায়মাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে পড়তো সায়মা।

আব্দুস সালাম বলেন, সন্ধ্যার পর ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তার মাকে বলে ‘আমি উপরে পাশের ফ্ল্যাটে যাচ্ছি, একটু খেলাধুলা করতে।’ এরপর থেকে নিখোঁজ হয় সায়মা। অনেক খোঁজা-খুঁজির পর ৯তলায় খালি ফ্ল্যাটের ভেতরে গলায় রশি দিয়ে বাঁধা ও মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পাই।

এঘটনায় সায়মার বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ভবন মালিকসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পুলিশ তদন্ত করছে। ভবনের আশপাশের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সন্দেহে কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এরপর ঘাতক হারুনুর রশীদকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ওয়ারী জোনের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে ঢামেক ফরেনসিক বিভাগ ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে।


এমএস


oranjee

আরও খবর :