ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রেফতারের পর শাহবাগ থানায় ডিআইজি মিজান

গ্লোবালটিভিবিডি ৮:২৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ০১, ২০১৯

শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে ডিআইজি মিজানকে। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশের পর সোমবার (১ জুলাই) বিকালে তাকে গ্রেফতার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। এরপর তাকে আদালত থেকে একটি প্রাইভেটকারে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার বিকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে পুলিশি প্রহরায় শাহবাগ থানায় আনা হয় মিজানকে। তাকে ওসি আবুল হাসানের কক্ষে রাখা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মি‌নি‌টে পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি আজিমুল হক গণমাধ্যম‌কে জানান, দুদকের দা‌য়ের করা মা‌নি লন্ডা‌রিং মামলায় আদাল‌তের নি‌র্দে‌শে তা‌কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ রা‌তে তি‌নি পু‌লিশি হেফাজ‌তে থানায় থাক‌বেন। আগামীকাল মঙ্গলবার তা‌কে আদাল‌তে পাঠা‌নো হ‌বে।

এর আগে এদিন দুপুর ২টায় দুদকের মামলায় বিচারপতি ওবায়েদুল হাসান ও বিচারপতি কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তার আগাম জামিন আবেদনের শুনানি হয়। সেই বেঞ্চে ডিআইজি মিজানকে জামিন না দিয়ে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

হাইকোর্ট জানায়, ডিআইজি মিজানুর রহমান পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন।

এরপর দুই বিচারপতি এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন। পরে আদালতের আদেশটি কোর্ট প্রশাসন শাহবাগ থানাকে জানালে পুলিশের রমনা বিভাগের একজন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ও শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান হাইকোর্টে আসেন।

এর আগে রোববার ডিআইজি মিজান আইনজীবীর মাধ্যমে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

গত ২৫ জুন রাতে ডিআইজি মিজানকে বরখাস্ত করে পুলিশ অধিদফতরে সংযুক্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়।

উল্লখ্য, নারী নির্যাতনের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার হওয়া মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু এই তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এমএস


oranjee