ঢাকা, সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

 
 
 
 

হলি আর্টিজান মামলা: সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে তৎপর রাষ্ট্রপক্ষ

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:২৪ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০১৯

ফাইল ছবি

রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে তৎপর রাষ্ট্রপক্ষ। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলছে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দ্রুতই মামলার বিচারকাজ শেষ হবে। তবে, আসামি পক্ষের আইনজীবীদের দাবি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে অভিযুক্তদের।

গুলশানের নিরিবিলি পরিবেশ। ছিলোনা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হামলার জন্য আদর্শ জায়গা হিসেবে জঙ্গিরা বেছে নেয় হলি আর্টিজান বেকারিকে। পরিকল্পনা অনুযায়ি ঢাকার রোহান ইমতিয়াজের নেতৃত্বে গঠন করা হয় নব্য জেএমবির একটি শক্তিশালী ইউনিট। দেয়া হয় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ। এরপর দিনক্ষণ বুঝে ২০১৬ সালের পহেলা জুলাই হলি আর্টিজানে চালানো হয় তাণ্ডব। এতে ১৭ বিদেশিসহ মারা যান ২০ জন। আর অভিযানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন দুই পুলিশ সদস্য। তারপরই জঙ্গিদের উৎস খুঁজতে দেশব্যাপী শুরু হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান।

ঘটনার পর গুলশান থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ২৩ জুলাই অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। এতে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আসে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর নাম।

অভিযোগপত্রে ২১ জনকে আসামী করা হলেও ঘটনার দিন তাদের পাঁচ জন ও পরে বিভিন্ন জায়গায় পরিচালিত অভিযানে ৮ জন নিহত হয়।

গত ২৬শে নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। ৩রা ডিসেম্বর শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬০ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আবু বলেন, ৮ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হাজিরা দিচ্ছে আদালতে। তাদের উপস্থিতিতেই চলছে সাক্ষ্য গ্রহণ। আমরা আশা করছি দ্রুতই এই মামলার কার্যক্রম শেষ হবে।

অভিযুক্ত আট আসামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদের দাবি, তাদের এই মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন,যারাই এখন পর্যন্ত সাক্ষী দিয়েছে তারা কেউই আমার আসামীদের নাম বলেনি। তাই আমি আশা করি বিজ্ঞ আদালত দ্রুতই এই মামলা থেকে আমার আসামীদের খালাস দিবে। তবে, হামলার পর সন্দেহভাজন হিসেবে আলোচনায় আসা নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসনাত করিমের বিরুদ্ধে কোন তথ্য প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে তার নাম বাদ পড়েছে।

এমএস


oranjee