ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

ফের সক্রিয় হিযবুত তাহরীর!

গ্লোবালটিভিবিডি ১২:২০ অপরাহ্ণ, মে ০৯, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর। রাজধানীর অভিজাত এলাকা ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন স্থানে পোস্টার সেঁটে নতুন করে তারা নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার চেষ্টা করছে।

বিভিন্ন এলাকায় গোপনে লিফলেট বিলির খবরও শোনা গেছে। এসব পোস্টার ও লিফলেটে হিযুবতের সদস্যরা ক্ষমতাসীন সরকারকে হটিয়ে ‘খিলাফায় রাশিদাহ’ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জাতীয় নির্বাচনের আগে গত নভেম্বরে নিষিদ্ধ এ জঙ্গি সংগঠনটি দেশজুড়ে তৎপরতা শুরু করে। ওই সময় খোদ রাজধানীতেই সংগঠনের ব্যানারে নিষিদ্ধ এ দলটি ঝটিকা মিছিল করে। এর পরই হিযবুতের এই নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার খবরে নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। কিছুদিন ওই তৎপরতা বন্ধ থাকলেও ফের জঙ্গি এ সংগঠনটি মাঠে নেমেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে হিযুবত তাহরীর। সেসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক এই সংগঠনের নেতৃত্ব দেন। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিক্যালের মেধাবী শিক্ষার্থীদের দলে টানার চেষ্টা করে।

বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ‘পাঠচক্রে’র আয়োজন করে কার্যক্রম চালাতো হিযবুত তাহরীর। খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য হিযবুত তাহরীর শুরু থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও দলে টানার চেষ্টা করে। উচ্চ শিক্ষিত, মেধাবী ও উচ্চবিত্ত তরুণ-তরুণীদের টার্গেট করে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসা হিযবুত তাহরীরকে ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এই কট্টরপন্থী সংগঠন।

ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, প্রথমদিকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিযবুতকে গুরুত্ব দেয়নি। পরে প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিং ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড শুরু করার পর জঙ্গি সংগঠন হিসেবে হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় গ্লোবালটিভিবিডিকে বলেন, জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সজাগ আছে। নিষিদ্ধ এ জঙ্গি সংগঠনের পক্ষে যারা তৎপরতা চালাবে তাদেরকেই আইনের আওতায় নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

এমএইচএন/এমএস


oranjee