ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৫ কার্তিক ১৪২৬

 
 
 
 

যুবলীগ নেতা ‘ক্যাসিনো’ খালেদ বহিষ্কার

গ্লোবালটিভিবিডি ৩:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯

ফাইল ছবি

ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবে অবৈধ ‘ক্যাসিনো’র মালিক যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বস্তির সাম্রাজ্য থেকে ক্যাসিনো সম্রাট খালেদ : বস্তি থেকে উত্থান। তারপর গুলশান পর্যন্ত পৌঁছেছেন যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূইয়া। খিলগাঁও-শাহজাহানপুর এলাকা ছিল তার চাঁদাবাজির আওতায়। চাঁদাবাজ থেকে হয়েছেন ক্যাসিনো-সম্রাট। এসব টিকিয়ে রাখতে কমলাপুরে গড়ে তোলেন গোপন টর্চার সেল। কেউ চাঁদা না দিলে সেখানে চলত নির্মম নির্যাতন।

রাজধানীর শাহজাহানপুর বস্তি ও রেলওয়ে কলোনিতে থেকেই উত্থানের শুরু খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার। প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের ছায়ায় থেকে নিজের ভয়ঙ্কর সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন খালেদ।

শাহজাহানপুর ও খিলগাও এলাকায় অস্ত্র নিয়ে নিয়মিত মহড়া চলতো খালেদ ভূঁইয়ার। সামনে পিছনে থাকতো মোটর সাইকেলের বহর। তাকে ঘিরে থাকতো অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী। এমনকি শাহজাহানপুর এলাকায় জমি দখল করে যুবলীগের কার্যালয় ও ক্লাব গঠনেরও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

খিলগাও রেল লাইনের পাশের অস্থায়ী মাছের বাজারও নিয়ন্ত্রণ করতো খালেদ। সেখান থেকে প্রতিদিন চাঁদা তুলেতো তার লোকজন। অভিযোগ আছে চাঁদা না দেয়ায়, রেললাইনের পাশের একটি বরফ কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন খালেদ।

যারা চাঁদা দিতেন না তাদের মনে ভীতি তৈরি করতে কমলাপুরে বহুতল ভবনে গোপন টর্চারসেল তৈরি করেছিলেন খালেদ। সেখানে নিয়মিত চলতো নির্মম নির্যাতন। ইলেকট্রিক মেশিন দিয়ে দেয়া হতো শক। ছিল নির্যাতনের অন্যান্য সরঞ্জামও।

একই সাথে ফকিরেরপুলে অবৈধ ক্যাসিনোর ব্যবসাও শুরু করেছিলেন খালেদ। সেখানে থেকে প্রতিরাতেই আয় হতো কোটি কোটি টাকা। চাঁদাবাজি ও অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার টাকায় শাহজাহানপুর থেকে গুলশানে বসতি গড়েন খালেদ। সেখান থেকেই র‌্যাব এর হাতে আটক হন তিনি।

পরে দুই মামলায় আদালত ৭ দিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করে খালেদের। এরপর থেকে রিমান্ডে গোয়েন্দা কার্যালয়ে রয়েছেন খালেদ।

এমএস


oranjee