ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্তে নড়ে চড়ে বসেছে ট্যানারি মালিকরা

গ্লোবালটিভিবিডি ১:৩১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৯

ফাইল ছবি

আনিসুর রহমান: কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে ধস নামায় খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে এসেছে চরম হতাশা। অনেক ব্যবসায়ী মূল্য কম হওয়ায় আড়তদারদের কাছে চামড়া বিক্রি না করে মাটিতে পুঁতে রেখেছেন। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা সব হারিয়ে যখন নিঃস্ব তখন আড়ৎদ্বার ও বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের সদস্যরা মুখ বুজে বসে থাকলেও চামড়ার দরপতন নিয়ে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়। ফলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তড়িঘড়ি করে কাঁচা চামড়া বিদেশে রপ্তানির অনুমোদন দেয়ার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে আড়ৎদ্বার ও ট্যানারি মালিকরা।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ গ্লোবাল টিভি অনলাইনকে বলেন, কাঁচা চামড়া রপ্তানির সরকারি সিদ্ধান্তে শতভাগ দেশীয় চামড়াশিল্প হুমকির মুখে পড়বে। এ খাতে সাত হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে। সাভারের আধুনিক চামড়াশিল্প নগরী প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাবে।

চামড়া ক্রয় করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব চামড়ার গুণগত মান ভালো আছে সেসব চামড়া সরকার নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করবে। আর যেসব চামড়া কিছুটা নষ্ট হয়ে গেছে সেসব চামড়ার মূল্য কিছুটা কম পাবে।

বাংলাদেশ ফিনিস্ড লেদার, লেদারগুড্স অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান মো. দিলজাহান ভূঁইয়া গ্লোবাল টিভি অনলাইনকে বলেন, সরকার কাঁচা চামড়া রফতানির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এতে আমাদের হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে কোরবানির সময়সহ বছরব্যাপী যে চামড়াটা সংগ্রহ করি, সেই চামড়া দিয়ে আমাদের ট্যানারিগুলোর তিন থেকে চার মাস চলে। তারপর সারা বছর আমরা যে চামড়াটা পাই, ওই চামড়া দিয়ে কোনো কোনো ট্যানারি ৫০ ভাগ চলে, আবার কোনো ট্যানারি ২০ ভাগ। শতভাগ চামড়া সংগ্রহ করে কোনো ট্যানারি চালাতে পারে না।

এআর/এমএস


oranjee