ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

 
 
 
 

বইমেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সর্বকনিষ্ঠ লেখক রূপাইয়ের বই

মাহতাব শফি ৫:১৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯

এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় সর্বকনিষ্ঠ লেখক হিসেবে হাজির হয়েছেন অমর্ত্য রূপাই। তার প্রথম গল্পের বই ‘ভূত বলে কিছু নেই’। ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হওয়া বইটি প্রথম দিন থেকেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পাঠকদের মধ্যে। এটি পাওয়া যাচ্ছে ৩৯৮ নম্বর স্টলে। বইটি প্রকাশ করেছে শুদ্ধপ্রকাশ। প্রচ্ছদ করেছেন আনিস মামুন এবং অলঙ্করণ করেছেন বদরুল ইসলাম।

অমর্ত্য রূপাই রাজধানীর মগবাজারের সানি হিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। রূপাইয়ের জন্ম ঢাকায়। থাকেন পশ্চিম মালিবাগে। মা উম্মুল ওয়ারা সুইটি। সিনিয়র সাংবাদিক। রুপাইয়ের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে।

যান্ত্রিকতার এ শহরেও রূপাইয়ের ঘুম ভাঙে পাখির ডাকে। দিন শুরু হয় মায়ের করে দেওয়া কঠিন রুটিন অনুসারে। সকাল ৭টায় ঘুম থেকে ওঠা, গানের রেওয়াজ, পিঠে বইয়ের ব্যাগ চাপিয়ে স্কুলে যাওয়া। ছুটির পর বাসা, খাওয়া, বিশ্রাম। বিকালে খেলাধুলা। লেখালেখিটাও রুটিন করে।

দ্বিতীয় শ্রেণিতে থাকতেই পত্রিকায় প্রথম গল্প প্রকাশ হয় এই বিষ্ময়কর ক্ষুদে লেখকের। সেই থেকে শুরু নিয়মিত লেখা। শব্দ ও বাক্য বুনন ও বিন্যাসে নিজস্ব ভঙ্গি আছে তার।

রূপাই লেখালেখির উৎসাহ পান মূলত মায়ের কাছ থেকে। এছাড়া অন্যরাও তাকে উৎসাহ দেন। গল্প লিখতে তাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে কিশোর আলো। তবে গল্পের মূল ভাবনাটা নিজের।

রূপাইয়ের গল্প শোনা ও পাঠের প্রতি আগ্রহ তিন-চার বছর বয়স থেকেই। সেই আগ্রহই তাকে নিয়ে এসেছে লেখার জগতে। কল্পনার পাখা বিস্তার করে রুপাই তার ক্ষুদে বন্ধুদের জন্য লিখেছেন বেশ কয়েকটি গল্প। সেখান থেকেই বাছাই করে কয়েকটি গল্প নিয়ে করা হয়েছে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ভূত বলে কিছু নেই’। আটটি গল্পের এই বইটিতে বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে রহস্য, গোয়েন্দা ও খেলা।

বইয়ের নাম ‘ভূত বলে কিছু নেই’। সামাজিক দায়বোধ থেকেই এই লেখা। ভূতের ভীতি দূর করতে রূপাই তার লেখা নিয়ে হাজির হয়েছেন সব বয়সের পাঠকের জন্যই।

বিজ্ঞানে ভীষণ আগ্রহ তার। লেখাপড়া শেষ করে তাই একজন বিজ্ঞানী হতে চায় রূপাই। পাশাপাশি লেখালেখিটাও চালিয়ে যেতে চায় সে।

বাসার আশপাশে মাঠ নেই। বাসাটাই সবুজ মাঠ, বিশাল স্টেডিয়াম। সময় পেলেই ট্রাউজার আর মাথায় ক্যাপ পরে এই বাসাতেই শূন্যে ব্যাট চালিয়ে প্র্যাকটিস করে এই ক্ষুদে বিষ্ময়।

 

এমএস 


oranjee