ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ | ৪ আষাঢ় ১৪২৬

 
 
 
 

ঘূর্ণিঝড়ের আগে ও পরে যা করবেন

গ্লোবালটিভিবিডি ১:০৭ পূর্বাহ্ণ, মে ০৩, ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ বাংলাদেশ অতিক্রম করবে শনিবার (৪ মে) দুপুরে। বাংলাদেশে থাকাকালীন গতিবেগ হতে পারে ৯০ থেকে ১০০ কি.মি/ঘণ্টা। তাই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তুলনামূলক কম। ভারতীয় উপকূলে আঘাত করে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। গতিপথ পরিবর্তন করে সরাসরি এদেশে আঘাতের সম্ভাবনা আপাতত নেই।

ঘূর্ণিঝড় ফণী'র আঘাতে ভারত ও বাংলাদেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবল শক্তি নিয়ে ওড়িশার দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় 'ফণী'। এর প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি এড়াতে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

আবহাওয়াবিদদের ধারণা, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এ ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে উদ্ধারকর্মীদের। মজুদ রাখা হয়েছে জরুরি ওষুধ ও শুকনো খাবার।


ঘূর্ণিঝড়ের আগে, তাণ্ডব চলার মধ্যে এবং ঝড় থেমে যাওয়ার পর কী করবেন আর কী করা উচিত নয়, তা দেখে নিন

ঘূর্ণিঝড়ের আগে করণীয়: যথাসম্ভব নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। এই সময়ে অনেক গুজব রটে। সেসব বিষয়ে কান দেবেন না। লোকের মুখের কথা না শুনে শুধুমাত্র সরকারি বার্তায় বিশ্বাস রাখুন। ঝড়ে গাছ পড়ে গিয়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে। তাই নিজের মোবাইল ফোন আগেই সম্পূর্ণ চার্জ দিয়ে রাখুন। বিপদের সময় যে কোনও মুহূর্তে মোবাইলের দরকার হতে পারে। পশুদের বাড়ির ভিতরে নিরাপদ স্থানে রাখেন।

ঘূর্ণিঝড়ের সময় করণীয়: ঝড় শুরু হলে প্রথমেই বাড়ির ভিতরের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিন। তা নাহলে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন। ঝড়ের সময় যদি রাস্তায় থাকেন, তা হলে যত দ্রুত সম্ভব কোনও সুরক্ষিত স্থানে আশ্রয় নিন। গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নীচে দাঁড়াবেন না।

ঘূর্ণিঝড়ের পর: ঝড়ে ক্ষতি হয়েছে এমন কোনও বাড়িতে আশ্রয় নেবেন না। ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে হাত দেবেন না।

এমএস


oranjee