ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬

 
 
 
 

শেখ হাসিনা আবারো প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শোবিজে স্বস্তি

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:২৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দাওয়াতে হাজির হয়েছিলেন একঝাঁক শোবিজ তারকা। ছবি: সংগ্রহ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। দলটির পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় শোবিজ মিডিয়ার অনেকেই অংশ নিয়েছেন। শুধু অংশই নেননি, দিনরাত আওয়ামী লীগ যাতে জয়ী হয় সেজন্য মাঠে থেকেছেন। আবার অনেকে মাঠে না থাকলেও মনে-প্রাণে চেয়েছেন আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জিতুক। এর একটি অন্যতম কারণ আওয়ামী লীগ একটি প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল। সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য যেটা খুব জরুরী দরকার। সেজন্য সংস্কৃতি কর্মীরা চেয়েছেন আওয়ামী লীগ যেন নির্বাচনে জিতে যায়। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

যেহেতু বিএনপির ২০ দলীর জোটে জামাত একটি অন্যতম শরীক দল তাই সংস্কৃতিকর্মীরা অন্তত স্বাধীনতাবিরোধী এ দলের সাথে যারা গিয়েছে তাদের সঙ্গে থাকতে কখনোও চায়নি। তাই বিএনপিকে তারা সমর্থন দেয়নি। নির্বাচন কমিশন জামাতের দল হিসেবে নিবন্ধন বাতিল করায় তারা এবার বিএনপির প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। জামাতবেষ্টিত বিএনপিকে তাই পরিত্যাগ করেছে সংস্কৃতিকর্মীরা। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অবশ্যই জিততে হতো। অন্তত সংস্কৃতি কর্মীরা তাই চাইছিলেন। যেহেতু এ অঙ্গনের বেশিরভাগ কর্মীরা আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন তাই দলটি না জিতলে সংস্কৃতি অঙ্গনের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যেতে হতো তাদের। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জেতায় তাই সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চায়ের দাওয়াতে গণভবনে হাজির হয়েছিলেন সংস্কৃতিকর্মীরা। শেখ হাসিনা আবারো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় গ্লোবাল টিভি অনলাইনের কাছে তারা তাদের অনুভুতির কথা জানিয়েছেন-

 

সৈয়দ হাসান ইমাম

আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল। দলগত বৈশিষ্টেই এটি প্রগতিশীল। এজন্য তো এ দল আমাদের ছায়া। অন্য দল যেগুলো আছে সেগুলো তো প্রগতিশীল না। প্রগতিশীলের ভঙ্গিতে ভণ্ডামি করছে মাত্র। মৌলবাদীদের ছায়ায় যাদের চলতে হয় তারা কখনো আমাদের ছায়া হতে পারে না। এজন্য বাংলাদেশের সংস্কৃতিকর্মীদের একটাই দল, সেটা হচ্ছে আওয়ামী লীগ। দলটি নির্বাচনে জেতায় আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক খুশি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ম.হামিদ। এসময় শোবিজের অন্য তারকারাও উপস্থিত ছিলেন। ছবি: সংগ্রহ

ম.হামিদ

আওয়ামী লীগ সংস্কৃতি বান্ধব দল। এই দল যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশের উন্নয়নের সাথে সাথে সংস্কৃতি অঙ্গনেরও উন্নয়ন করেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি নতুন দেশের জন্ম দিয়ে উন্নয়নে মনোযোগি হয়েছেন। তিনি প্রত্যেকটি সেক্টর ধরে ধরে উন্নতি করার চেষ্টা করেছেন বিশেষ করে সংস্কৃতি কর্মীদের তিনি খুব ভালোবাসতেন। এজন্য সংস্কৃতি অঙ্গনের উন্নয়ন করেছেন তিনি। তার সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একই রকম ভালোবাসেন সংস্কৃতিকর্মীদের। তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন এ অঙ্গনের উন্নতিতে, করেছেনও।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সুবর্ণা মোস্তফা। এসময় শোবিজের অন্য তারকারাও উপস্থিত ছিলেন। ছবি: সংগ্রহ 

সুবর্ণা মোস্তফা

আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সংস্কৃতিকর্মী অন্ত:প্রাণ। তাদের বিপদে আপদে যেভাবে এগিয়ে আসেন তা অন্য যেকোনো দেশেও খুব কম দেখা যায়। তার নির্বাচনে জেতানর বিষয়টি শুধু আমাদের জন্য নয়। এটা পুরো বাংলাদেশিদের জন্যও প্রয়োজন ছিল। তিনি দেশের অন্য মানুষের পাশাপাশি সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য আলাদা করে ভাবেন। তিনি আমাদের জন্য সবসময় মঙ্গলজনক ছিলেন এবং থাকবেন। তাই চেয়েছি নির্বাচনে তিনি জিতুক। আমাদের আশা পূরণ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শমী কায়সার। এসময় তার সঙ্গে অন্য তারকারাও উপস্থিত ছিলেন। ছবি: সংগ্রহ 

শমী কায়সার

শেখ হাসিনা আমাদের প্রাণের নেত্রী। সংস্কৃতি কর্মীদের পাশে যেভাবে তিনি দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন সময়ে, তিনি ছাড়া এমনভাবে আর কে দাঁড়িয়েছে।  তাই আমি ব্যক্তিগতভাবেই চেয়েছি আওয়ামী লীগ সরকার দেশের ক্ষমতা আবার আসুক। আবারও প্রধানমন্ত্রী হোক আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এসময় শোবিজের অন্য তারকারাও উপস্থিত ছিলেন। ছবি: সংগ্রহ

জায়েদ খান

আওয়ামী লীগ সরকার আবারও দেশের ক্ষমতায় আসা ও শেখ হাসিনার আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় খুব খুশি হয়েছি। তার হাত দিয়ে বাংলাদেশ এবার আরও এগিয়ে যাবে। তিনি সবসময় বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা ভাবেন। এদেশের মানুষের কথা ভাবেন। তিনি ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’। তিনি চলচ্চিত্রকর্মীদের খুব ভালোবাসেন। দেশীয় সংস্কৃতি ভালোবাসে তিনি। আমি তার সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জ্যোতিকা জ্যোতি

জ্যোতিকা জ্যোতি

বিশ্বনন্দিত নেত্রী শেখ হাসিনা আবারও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানাই । ব্যাক্তিগতভাবে আমি ভীষণ আনন্দিত ও আশ্বস্ত। কারণ আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর দক্ষতা ও সততায় বাংলাদেশ যে যে উন্নয়নের তার ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। আবারো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসা এবং নতুন মন্ত্রীসভা নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদি। প্রধানমন্ত্রীর চমকপ্রদ সব সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম সেরাদের মধ্যে জায়গা করে নেবে বলেই আমার বিশ্বাস। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

এসএনএ

 

 


oranjee