ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • এই প্রথম আসিফের গানে চিত্রনায়ক অমিত হাসান
  • নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সংস্কৃতির ভূমিকা শীর্ষক অনুষ্ঠান আজ
  • ১৫ বছর পরে আবারো আসিফের কন্ঠে ক্রিকেটের গান
  • শিপনের বিপরীতে নায়িকা হলেন গায়িকা তানজিনা রুমা
  • নজরুল সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেন আর নেই
  • গ্লোব মাল্টিমিডিয়ার ঈদ নাটকে কোন কোন তারকা পরিচালক কাজ করছেন জানেন?
  • ঈদে আসছে সানি আজাদ’র ‘প্রেমে কেন এতো জ্বালা’

মা দিবসে মা হারানোর বিচার চান গায়ক প্রমিত

গ্লোবালটিভিবিডি ১:১৮ অপরাহ্ণ, মে ১২, ২০১৯

গায়ক প্রমিতের খুন হওয়া মা ও পাশে তার দুই খুনী

আজ বিশ্ব মা দিবস। এই মা দিবসে মা হারানোর বিচার চেয়েছেন টুনির মা খ্যাত জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী প্রমিত। ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রাধানগর গ্রামের মাজার রোডের বৈরাংগী বিলের একটি কালভার্টের নিচ থেকে প্রমিতের মা কমলা রানী বাড়ৈর (৬০) লাশ উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। দীর্ঘ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনার বিচার আজো সম্পন্ন হয়নি।

তবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় দুই জনকে আটক করে। তারা হল- রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা শারন্দ্রচন্দ্রের ছেলে রিপনচন্দ্র (২৫) ও পূর্ণচন্দ্রের ছেলে আনন্দ মণ্ডল (২৮)। স্বর্ণালংকারের লোভে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে স্বীকার করেছে আটকৃতরা। এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

গায়ক প্রমিত কুমার

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পলাশের পন্ডিতপাড়া গ্রামের বৃদ্ধা কমলা রানী বেড়ৈ (৬০) রায়পুরা উপজেলার রাধানগর গ্রামে মেয়ে দীপালি রাণী বিশ্বাসের বাড়িতে বেড়াতে যায়। ২০১৬ সালের ৯ এপ্রিল নিহত কমলাকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে নিহতের কোনো সন্ধান না মেলায় ১৬ এপ্রিল পলাশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন সংগীত শিল্পি প্রমিত। কিন্তু পলাশ থানা পুলিশ কোনো ধরনের অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। পরে নিখোঁজের পরিবার জেলা পুলিশ সুপার আমেনা বেগমের শরণাপন্ন হলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবুদল গাফফারকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা পুলিশ রাধানগর গ্রামের শারন্দ্র চন্দ্রের ছেলে রিপন চন্দ্রকে আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনন্দ মন্ডলকে গ্রেফতার করে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৈরাংগী বিলের একটি কালভার্টের নিচে প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় মাটির নিচ থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবদুল গাফফার বলেন, স্বর্ণালঙ্কার ও অর্থের লোভে পড়ে কমলা রানীকে মেয়ের বাড়িতে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশে একটি সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার ৩দিন পর গভীর রাতে নিহতের মরদেহ সেপটিক ট্যাংক থেকে মাজার রোডের বৈরাংগী বিলের একটি কালভার্টের নিচে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়।

ওই সময় দুর্বৃত্তরা নিহতের শরীর থেকে ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। নিহতের শরীরে স্বর্ণালঙ্কারের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে।

এমএস


oranjee