ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় সালমানের ছবিতে কেন কমেন্ট করেন না ক্যাটরিনা?
  • প্রকাশিত হলো ‘প্রেম মানে ছেলেখেলা নয়’
  • কণ্ঠশিল্পী পলি সায়ন্তনীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
  • নাটকে ইমরান-কনা’র প্রথম গান
  • ভোটের সময় মানুষের মন কিডন্যাপ করবেন দেব!
  • 'অচেনা' মিউজিক ভিডিওতে সানজিয়া মুন ও বিপ্লব
  • ঈদে ইমন খানের অনেক চমক

মিমি-নুসরাতকে এনে চমক দিলেন মমতা

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:৫৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৯

ছবি- সংগ্রহ

প্রার্থী তালিকায় কিছু চমক দেখাল তৃণমূল। হাল আমলের দুই অভিনেত্রী নুসরাত জাহান এবং মিমি চক্রবর্তীকে প্রার্থী করা তার মধ্যে অন্যতম। একই সঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর এবার লোকসভা ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত এবং গতবার বাঁকুড়ায় জেতা অভিনেত্রী মুনমুন সেনকে কেন্দ্র বদলে আসানসোলে নিয়ে যাওয়াও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে তাৎপর্যপূর্ণ। এরই সঙ্গে মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে বাঁকুড়ায় প্রার্থী করার সিদ্ধান্তও নজর কেড়েছে। এর আগে ২০০৯ সালে এই কেন্দ্রেই লড়ে হেরেছিলেন বর্ষীয়ান সুব্রত বাবু।

সব মিলিয়ে ৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে এবার ১৭টি নতুন মুখ। মহিলাও ১৭ জন। এ ছাড়া আর যা হয়েছে, তা খুব একটা অপ্রত্যাশিত বা ছকের বাইরে বলা যায় না। বক্সী ছাড়া আর যে সাত সংসদ সদস্য সুগত বসু, সন্ধ্যা রায়, উমা সরেন, ইদ্রিশ আলি, তাপস পাল, তাপস মণ্ডল এবং পার্থপ্রতিম রায় বাদ পড়েছেন। তাদের সরানো হতে পারে বলে তৃণমূল অন্দরে কিছু দিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। বাদ পড়া প্রার্থীদের দলের কাজে লাগানো হবে বলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ বক্সী কিছুতেই এবার ভোটে দাড়াতে রাজি হচ্ছিলেন না বলে তৃণমূল অন্দরে গুঞ্জন চলছিল। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তা নিয়ে টানাপড়েন চলে। অবশেষে তার ইচ্ছাই মানা হয়। বক্সী দলের কাজেই থাকতে চান জানিয়ে মমতা বলেন, ‘বক্সীদা বলছেন, সকলে লোকসভা কেন্দ্রে ব্যস্ত হয়ে পড়লে সংগঠনের কাজ কে করবে? তাই ওঁর জায়গায় মালা রায়কে প্রার্থী করা হল।’ মালা এখন কলকাতা পৌরসভার চেয়ারপার্সন।

যাদবপুরের এমপি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুগত বসুর বদলে সেখানে প্রার্থী টলিউডের মিমি চক্রবর্তী। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে এমপির কাজ চালাতে তার পক্ষে অসুবিধা হচ্ছে বলে নেত্রীকে সুগত বাবু জানিয়েছেন। তবে তার জায়গায় রাজনীতিতে একেবারেই অনভিজ্ঞ মিমিকে প্রার্থী করা চমকপ্রদ।

প্রার্থী বলেন, ‘আমি একসঙ্গে অনেক কাজ করি। ফলে সিনেমার পাশাপাশি রাজনীতিও করতে পারব।’

বাদ পড়া সন্ধ্যা রায়কে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রে ‘ভাল’ কাজ করার সার্টিফিকেট দিয়ে মমতা বলেন, ‘সন্ধ্যাদি ছোটাছুটি না করে একটু বসে কাজ করতে চাইছেন। ওকে সম্মান দিয়ে সেই কাজের ব্যবস্থা করে দেব।’

মেদিনীপুরে এবার তৃণমূলের প্রার্থী দলের রাজ্যসভার সদস্য মানস ভুঁইয়া। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গিয়ে গত বছর তিনি রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। তার বিধায়ক আসনে জিতেছেন তারই স্ত্রী। এবার সেই মানসকে লোকসভায় পাঠাতে চান মমতা। গত লোকসভায় ঘাটাল কেন্দ্রে তৃণমূলের দেব-এর কাছে হেরেছিলেন মানস। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

এএইচ/এমএস


oranjee