ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

সরকারি প্রতিষ্ঠানের ‘অলস’ অর্থ ব্যবহারের উদ্যোগ সরকারের

গ্লোবালটিভিবিডি ৮:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৯

সংগৃহীত ছবি

স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন–ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ দেশের মোট ৬৮টি স্বশাসিত সংস্থার ২ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা ‘অলস’ হিসেবে পড়ে থাকায় তা ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই সব ‘অলস’ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে একটি খসড়া বিলে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিলের শিরোনাম হলো- ‘স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন–ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান আইন, ২০১৯’।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মাদ শফিউল আলম বলেন, ‘সর্বশেষ হিসেবে ৬৮টি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে পড়ে আছে… টাকাগুলোর আরও ব্যবহারের জন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে না।’

তাই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে সহায়তার জন্য সরকার প্রস্তাবিত নীতির মাধ্যমে ওই সংস্থাসমূহের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা নিতে চায়, যোগ করেন তিনি।

শফিউল আলম বলেন, প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী অলস টাকার মধ্যে সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয়ের টাকা তাদের নিজস্ব তহবিলে থাকবে। তারপর আপত্কালীন ব্যয়ের জন্য পরিচালন ব্যয়ের আরও ২৫ শতাংশ সংরক্ষণ করতে পারবে। প্রতিষ্ঠানের পেনশন ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও রাখা যাবে। এরপর যে টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে, সেটি সরকারি কোষাগারে জমা নেয়া হবে।

সর্বোচ্চ ‘অলস’ অর্থ থাকা ৫ প্রতিষ্ঠান: মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২৫টি প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশি টাকা অলস অর্থ হিসেবে রয়েছে। তার মধ্যে-বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কাছে জমা আছে ২১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। পেট্রোবাংলার (বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ওখনিজ করপোরেশন) কাছে ১৮ হাজার ২০৪ কোটি টাকা। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কাছে আছে ১৩ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জমা টাকার পরিমাণ ৯ হাজার ৯১৩ কোটি। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জমা টাকা আছে ৪ হাজার ৩০ কোটি। সূত্র: ইউএনবি

এমএস


oranjee

আরও খবর :